ঝালকাঠিতে বিকেলে ধাক্কাধাক্কি, রাতে তরুণকে গলা কেটে হত্যা

ঝলোকাটির নলচিটিতে আনিচুর রহমান বিশ্বাস ওরফে রুম্মান (২২) কে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। রবিবার রাতে উপজেলার দাপাদাপিয়া এলাকার জিরো পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আনিচুর রহমান দপদপিয়া জিরো পয়েন্ট এলাকার আব্দুস সাত্তার বিশ্বাসের ছেলে। তিনি বরিশাল-দাপাদাপিয়া ব্রিজের টোল প্লাজায় যানবাহন থেকে টোল আদায় করতেন।


নিহতের স্বজনরা জানান, একই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে আল মামুন এবং দাপাদাপিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সভাপতির নেতৃত্বে এই ঘটনা ঘটে। একই এলাকায় একই সময়ে। রানা, মোঃ জিহাদ, মোঃ আলমগীর, মিরাজ ও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি।

নিহত যুবকের স্বজনরা জানান, একই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে আল মামুন এবং দাপাদাপিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সভাপতির নেতৃত্বে এই ঘটনা ঘটে। একই এলাকায় একই সময়ে। রানা, মোঃ জিহাদ, মোঃ আলমগীর, মিরাজ ও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি।


স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আনিচুর রহমানের চাচাতো ভাই আকিব ও মুন্নার গতকাল বিকেলে দাপাদাপিয়া জিরো পয়েন্ট এলাকায় আল-মামুনের আত্মীয় জিহাদ এবং রিয়াদের সিনিয়র-জুনিয়রের সাথে তর্ক করেছিলেন। আনিচুর রহমান সেখানে উপস্থিত হয়ে জিহাদ ও রিয়াদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। রাতে আনিচুর রহমানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়। তার ঘাড়ে, ঘাড়ে এবং তার দেহের বিভিন্ন অংশকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল এবং রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়েছিল। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সোমবার দপদপিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল মৃধা সংবাদটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ঘটনার পর থেকে আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে।


নলছিটি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল হালিম জানান, আনিচুর রহমানের মৃত্যুর জন্য তার স্বজনরা দাপাদাপিয়া ইউনিয়ন যুবদল নেতা আল মামুন ও তার সহযোগীদের দোষ দিচ্ছেন। তাদের লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া আল মামুন ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের কয়েকটি দল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে।