Articles by "আদালত"
অর্থনীতি অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া-ক্রিকেট-দল আওয়ামী-লীগ আদালত আন্তর্জাতিক আন্দোলন আরো আর্থিক-খাত ইরফান-খান ইসলামীক উদ্যোগী-নারী এশিয়া এসএসসি-পরীক্ষা করোনা বাংলাদেশ করোনা-বিশ্ব করোনাভাইরাস ক্রিকেট খুলনা-বিভাগ খেলা খেলাধুলা গোপালগঞ্জ চাকরি চাকরিবাকরি চাকরির-খবর চিকিৎসা চীন চুরি ছাত্রদল জগন্নাথপুর জয়পুরহাট জাতিসংঘ জাতীয় জাতীয়-পার্টি জো-বাইডেন ঝালকাঠি টি-টোয়েন্ট-বিশ্বকাপ টিকা টেবিল-টেনিস ডোনাল্ড ট্রাম্প ঢাকা-বিভাগ ঢাকা-বিশ্ববিদ্যালয় তথ্যপ্রযুক্তি তথ্যমন্ত্রী তারকা নারী নিউজিল্যান্ড নিয়োগ নেইমার পরিবেশ পাইলসের-সমস্যা-১০-উপায় পাকিস্তান পানি পিএসজি পিএসসি পেশা পোশাক প্রযুক্তি প্রযুক্তি-পণ্য ফুটবল ফ্যাশন বগুড়া বরিশাল বরিশাল-বিভাগ বাংলাদেশ বাংলাদেশ-ভারত-সম্পর্ক বাণিজ্য বাবুগঞ্জ বিএনপি বিনিয়োগ বিনোদন বিয়ে বিরাট-কোহলি বিশেষ-সংবাদ বিসিএস ব্যাংক ভর্তি-পরীক্ষা ভারত ভোটাররা-কেন্দ্রে-যেতে-পারলে মতামত যুক্তরাজ্য যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র-নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রে রংপুর রাজনীতি রাজশাহী-বিভাগ রোহিঙ্গা শাবনূর শিক্ষা শেয়ারবাজার সড়ক-দুর্ঘটনা সযুক্তরাষ্ট্র সরকারি-চাকরি সাকিব-আল-হাসান সিনেমা সিলেট-বিভাগ সোনালী-ব্যাংক স্বাস্থ্য হামলা হাসপাতাল


মাদকবিরোধী অভিযানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় থেকে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৩১ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

আজ রবিবার (২ জানুয়ারি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২৮টি মামলা হয়েছে বলেও জানানো হয়।
 
গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ৪ হাজার ২ পিস ইয়াবা, ৫০ গ্রাম ১০০ পুরিয়া হেরোইন ও ৮ কেজি ৭৭০ গ্রাম ৪০ পুরিয়া গাঁজা জব্দ করা হয়।

ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়, শনিবার (১ জানুয়ারি) সকাল থেকে আজ সকাল পর্যন্ত মাদকবিরোধী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মাদক সেবন ও বিক্রির দায়ে ৩১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অভিযানে বিপুল পরিমাণে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করা হয়।


ফারমার্স ব্যাংক (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) থেকে চার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় খালাস পাওয়া দুই আসামি মো. শাহজাহান এবং নিরঞ্জন চন্দ্র সাহাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাদের খালাসের রায় বাতিল করে কেন সাজা দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়েছেন আদালত।

খালাসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (২২ ডিসেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

এই মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহাকে ১১ বছর দণ্ড দিয়েছিলেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪।

গত ৯ নভেম্বর দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় দেন। রায়ে সাবেক প্রধান বিচারপতিকে ফারমার্স ব্যাংক থেকে চার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের দায়ে চার বছর এবং মানি লন্ডারিংয়ের আরেক ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া এস কে সিনহার ৭৮ লাখ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দু’টি সাজা একসঙ্গে চলবে উল্লেখ করে তাকে সাত বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে জানান আইনজীবীরা।

এ মামলার দুই আসামি টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান এবং নিরঞ্জন চন্দ্র সাহাকে খালাস দিয়েছেন আদালত। এছাড়া মামলার অপর আট আসামির মধ্যে ব্যাংকের সাবেক এমডি একেএম শামীমকে চার বছরের দণ্ড দেন। আর ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী), ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক ও সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায়কে তিন বছরের দণ্ড দেন।

পরে গত ২০ ডিসেম্বর এই দুজনের খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় দুদক আপিল করে। এই মামলায় এস কে সিনহাসহ মোট আসামি ১১ জন। পলাতক থাকায় সাবেক প্রধান বিচারপতির অনুপস্থিতিতেই হয় বিচারকাজ।

এর আগে ২০১৯ সালের ১০ জুলাই ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া ঋণের মাধ্যমে চার কোটি টাকা স্থানান্তর ও আত্মসাৎ করার অভিযোগে দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।


ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পর বিচারপতির ছেলের গাড়ির চাপায় বিজিবির অবসরপ্রাপ্ত সদস্য মনোরঞ্জন হাজং আহতের ঘটনায় মামলা নিয়েছে বনানী থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) আহতের মেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট মহুয়া হাজং বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

২ ডিসেম্বর চেয়ারম্যানবাড়ি ইউলুপে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় গাড়ির ধাক্কায় মারাত্বক আহত হন মনোরঞ্জন। এরপর থেকে মামলার অভিযোগ নিয়ে ঘুরেছেন আহতের মেয়ে সার্জেন্ট মহুয়া হাজং।

বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আজম মিয়া বলেন, মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। আজকেই মামলা রুজু হয়েছে। মামলা নম্বর ২৫।

মামলা নিতে এত সময় লাগার কারণ জানতে চাইলে গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ঘটনার পরই আমরা অভিযোগ পেয়েছি। কিন্তু যাচাই করার প্রয়োজন ছিল। আমরা যাচাই-বাছাই করে মামলা নিয়েছি।

যাচাই প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজগুলো বিশ্লেষণ করেছি। মধ্যরাতে মনোরঞ্জন হাজং মোটরসাইকেলে উল্টোপথে এসে চেয়ারম্যানবাড়ি ইউলুপের ওখানে দাঁড়ান। তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় একটি গাড়ি ধাক্কা দেয়। আমরা মামলা নিয়েছি। গাড়িটি কে চালাচ্ছিলেন, কীভাবে দুর্ঘটনাটি হলো, তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে।

জানা যায়, গত ২ ডিসেম্বর রাত সোয়া ২টার দিকে রাজধানীর চেয়ারম্যান বাড়ির সংলগ্ন ইউটার্নের মুখে দুর্ঘটনার শিকার হন মনোরঞ্জন হাজং। যে গাড়ির ধাক্কায় তিনি আহত হন, সেই গাড়িটি চালাচ্ছিলেন একজন বিচারপতির ছেলে। ঘটনাস্থল থেকে বিচারপতির ছেলেকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ ও গাড়িটি জব্দ করা হয়। কিন্তু কিছু সময় পরই ছাড়া পেয়ে যান ওই চালক।

সার্জেন্ট মহুয়া হাজং বলেন, তার বাবার ডান পায়ে কয়েক দফা অপারেশন করে কেটে ফেলা হয়েছে। বর্তমানে বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।


আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির হয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আগাম জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়া। সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে আগাম জামিন নিতে দুপুরে হাটকোর্টে হাজির হন মিথিলা ও শবনম। 

গত ৪ ডিসেম্বর ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তাহসান খান, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। সাদ স্যাম রহমান নামে ইভ্যালির এক গ্রাহক ধানমণ্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল, চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন, তাহসান খান, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়াসহ ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তাহসান, মিথিলা ও শবনম ফারিয়া ইভ্যালির বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন। তাদের উপস্থিতি এবং তাদের বিভিন্ন প্রমোশনাল কথাবার্তার কারণে আস্থা রেখে বিনিয়োগ করেন সাদ স্যাম রহমান। এসব তারকার কারণে মামলার বাদী প্রতারিত হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ মামলার এক নম্বর আসামি ইভ্যালি চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেলকে। প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় দুজনই কারাগারে রয়েছেন।

মামলায় বাদী অভিযোগ করেন, আসামিরা তার ৩ লাখ ১৮ হাজার টাকা আত্মসাতে সাহায্য করেছেন। তার টাকা তিনি এখনো উদ্ধার করতে পারেননি। তাই তিনি বাধ্য হয়ে মামলা করেছেন।

পরে ওই মামলায় আগাম জামিন চেয়ে গত ১২ ডিসেম্বর হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানান অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়া।

প্রসঙ্গত, অভিনেতা ও গায়ক তাহসান বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।


গ্রাহক ঠকানোর অভিযোগে আলোচিত ই-কমার্স কোম্পানি ইভ্যালির বিরুদ্ধে এক ক্রেতার করা মামলায় আসামি করা হয়েছে গায়ক তাহসান খান এবং অভিনয় শিল্পী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়াকে।

সাদ স্যাম রহমান নামের এক ব্যক্তি নিজেকে ইভ্যালির এক গ্রাহক হিসেবে পরিচয় দিয়ে গত ৪ ডিসেম্বর ঢাকার ধানমণ্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

ধানমণ্ডি থানার ওসি মোহাম্মদ ইকরাম আলী জানান, মামলার নয় আসামির মধ্যে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল, তার স্ত্রী ও কোম্পানির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ছাড়াও আকাশ, আরিফ, তাহের ও মো. আবু তাইশ কায়েসের নাম রয়েছে।

মামলার বাদী সাদ স্যাম রহমানের অভিযোগ, ‘প্রতারণার মাধ্যমে’ তার কাছ থেকে তিন লাখ ১৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন মামলার আসামিরা।

ওসি বলেন, “তাহসান, মিথিলা ও শবনম ফারিয়া ইভ্যালির সাথে যুক্ত ছিলেন। তাদের উপস্থিতি ও তাদের প্রমোশনাল কথাবার্তায় প্রলুব্ধ হয়েই ওই কোম্পানিতে পণ্যের অর্ডার করেছিলেন বলে মামলায় অভিযোগ করেছেন বাদী।”

গত মার্চে ইভ্যালির পণ্যদূত হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান রহমান খান। পরে গ্রাহকদের অসন্তোষ নিয়ে নানা খবরের মধ্যে তিনি ওই ‍চুক্তি বাতিল করার কথা জানান।

ইভ্যালির বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা হওয়ার পর শুভেচ্ছাদূত হিসেবে চুক্তিবদ্ধ থাকা অভিনেত্রী মিথিলাও চুক্তি বাতিলের খবর দিয়েছিলেন। আর ওই ই কমার্স কোম্পানির জনসংযোগ কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা শবনম ফারিয়া চাকরি ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন।


শবনম ফারিয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, ধানমণ্ডি থানার মামলায় তাকে আসামি করার বিষয়টি তার জানা নেই। আর তাহসান ও মিথিলার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গাড়ি, মোটরসাইকেল, গৃহস্থালির আসবাবপত্র, স্মার্ট টিভি, ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিনসহ বিভিন্ন বিলাসী পণ্য অর্ধেক দামে বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের নজরে এসেছিল ইভ্যালি।

তাদের চমকদার ‘অফারের’ প্রলোভনে অনেকেই বিপুল অংকের টাকা অগ্রিম দিয়ে পণ্যের অর্ডার করেছিলেন পরে বেশি দামে বিক্রি করে ভালো লাভ করার আশায়।

কিন্তু তাদের অনেকে মাসের পর মাস অপেক্ষা করেও পণ্য বুঝে পাননি, ইভ্যালি অগ্রিম হিসেবে নেওয়া তাদের টাকাও ফেরত দেয়নি। এভাবে প্রলোভনে পড়ে ব্যাংক ঋণ, ধার-দেনা করে, জমি বা গয়না বেচে সেই টাকা ইভ্যালিতে লগ্নি করে এখন মহাবিপদে আছেন বহু গ্রাহক।

ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী কোম্পানির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে ইতোমধ্যে গ্রাহকের করা প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধানমণ্ডির নতুন মামলাতেও তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানান ওসি।

তিনি বলেন, “বাকি সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


আলোচিত আবরার হত্যা মামলার রায়ে সন্তুষ্ট জানিয়েছেন মামলার প্রধান আসামি মেহেদী হাসান রাসেলের গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের সালথাবাসী।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) আবাসিক হলের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বীকে (২২) নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আসামিদের উপস্থিতিতে আবরার হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। এ মামলায় ২০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এ রায়ে এলাকাবাসী, রাজনৈতিক, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।


এদিকে এই মামলার প্রধান আসামি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত বুয়েট ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেলের বাড়ি ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রাঙ্গারদিয়া গ্রামে। সুনসান নিরবতায় রয়েছে বাড়ির পরিবেশ। তেমন কারো সাথেই কথা বলছে না রাসেলের পরিবার। সেখানে তার বাবা, মা ও ছোট ভাই বসবাস করে।

রাসেলের বাবা সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য রুহুল আমিন বলেন, বিচারের রায় নিয়ে এই মুহূর্তে কিছু বলতে চাচ্ছি না। রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে এতটুকু বলবো আমার ছেলে সেদিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না।

এলাকাবাসী ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ বলেন, রাসেলের পরিবারের তিন সদস্য এখানে বাস করে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রাসেল পড়াশোনা করার জন্য ঢাকা থাকতো। আমরা জানতাম রাসেল বুয়েটে পড়ে, সে অনেক মেধাবী। রাসেল ছাড়া সবাই বাড়িতেই থাকতো।

এলাকাবাসী আরও বলেন, আদালত যেটা সঠিক মনে করেছে, সেই রায় ঘোষণা করেছেন। তবে আমরা বলবো এই জঘন্যতম ঘটনার যে বিচার দ্রুত সময়ে হয়েছে এই জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। সেই সাথে এ রায় দ্রুত কার্যকর করে দেশকে কলঙ্কমুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।


খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. সেলিম হোসেনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শুক্রবার (০৪ ডিসেম্বর) সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একইসঙ্গে পাঁচ সদস্যের নতুন তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

এই ঘটনায় আগে গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটির দু’জন কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করলে নতুন করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিন্ডিকেটের ৭৬তম (জরুরি) সভায় উত্থাপন করা হলে সিসিটিভির ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যাদি পর্যালোচনা করে বিষয়টির প্রাথমিক সত্যতা প্রতীয়মান হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশৃঙ্খলা ও আচরণবিধির আলোকে অসদাচরণের আওতায় সিন্ডিকেট ৯ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সাময়িক বহিস্কার হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন- কুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থী সাদমান নাহিয়ান সেজান, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (সিই) বিভাগের শিক্ষার্থী মো. তাহামিদুল হক ইশরাক, এলই বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাদমান সাকিব, একই বিভাগের শিক্ষার্থী আ. স. ম. রাগিব আহসান মুন্না, সিই বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান, (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং (এমই) বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মাদ কামরুজ্জামান, সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রিয়াজ খান নিলয়, এমই বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমেদ রিফাত ও ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (এমএসই) বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নাইমুর রহমান অন্তু।

উল্লেখে, গত ৩০ নভেম্বর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর ড. মো. সেলিম হোসেনের সঙ্গে কিছু শিক্ষার্থী দুর্ব্যবহার করে। পরে বাসায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ওই শিক্ষকের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলে এর সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ করে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এরই প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার সিন্ডিকেট সভা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ওইদিন কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় পরদিন আবারও সিন্ডিকেট সভা হয়। সেই সভাতেই কুয়েট ক্যাম্পাস আগামী ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ওইদিনই হল ছেড়ে যায় শিক্ষার্থীরা।


নতুন বিয়ে করা বউকে নিয়ে কটুক্তি ও বিয়ে মেনে না নেওয়ার হুমকির কারণে নববধূর সামনেই চলন্ত মাইক্রোবাস থেকে লাফিয়ে পড়ে চুয়াডাঙ্গায় এক তরুণের আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল রোববার রাত ১১টার দিকে, মেহেরপুর সদর উপজেলার কুলপালা এলাকায়।

নিহত যুবকের নাম বোরহান উদ্দিন (২১)। তিনি মেহেরপুর সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও সদর উপজেলার বাড়াদি ইউনিয়নের নতুন দরবেশপুর গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী মিয়া জানের একমাত্র সন্তান।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন বোরহানের পরিবারের সদস্যদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, বোরহান এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। গত শনিবার তারা গোপনে বিয়ে করেন। এরপর বোরহান নববধূকে নিয়ে তার চাচাতো বোনের বাসায় গিয়ে ওঠেন।

বিষয়টি জানতে পেরে বোরহানের বাবা মিয়া জান পরিবারের সদস্যদের পাঠান ছেলেকে নিয়ে আসতে। একইসঙ্গে তিনি নতুন বউকে তালাক দেওয়ার জন্য ছেলেকে চাপ দিতে থাকেন। কিন্তু বোরহান তাতে রাজি হননি। এক পর্যায়ে জান মিয়া জানিয়ে দেন যে, তিনি ছেলেকে মেনে নিলেও ছেলের বিয়ে করা বউকে মেনে নেবেন না।

এ অবস্থায় মাইক্রোবাসে করে জান মিয়ার পরিবারের লোকজন বোরহান ও নববধূকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। ওসির ভাষ্য, মাইক্রোবাসের মধ্যেই বোরহান মোবাইল ফোনে বাবার সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে লিপ্ত হন। এক পর্যায়ে তিনি মাইক্রোবাস থেকে লাফ দেন।

গুরুতর আহত বোরহানকে রাত ১২টার দিকে চুয়াডাঙা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাজিদ হাসান জানান, বোরহানের মাথায় প্রচন্ড আঘাত ছিল। তার বুকের হাড়গোড়ও ভেঙে যায়।

ময়নাতদন্তের জন্য বোরহানের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি মোহাম্মদ মহসিন জানান, আজ সোমবার সকালে এই ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।


গাজীপুর সিটি করপোরেশনে সদ্য বহিষ্কৃত মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা হয়েছে। সোমবার (২৯ নভেম্বর) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে মামলাটি করেন আইনজীবী ওমর ফারুক আসিফ। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক উপকমিটির সদস্য।

আদালত বাদি ফারুক আসিফের জবানবন্দি নিয়ে আগামী ৬ জানুয়ারির মধ্যে সিআইডিকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে, রবিবার (২৮ নভেম্বর) জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করা হয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে জাহাঙ্গীরের এক অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেই অডিওতে দেশের মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লক্ষ শহীদ এবং শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা নিয়ে তাকে কটূক্তি মন্তব্য করতে শুনতে পাওয়া যায়। এরপর গত ১৯ নভেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় জাহাঙ্গীর আলমকে আজীবন আওয়ামী লীগে থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া ২৫ নভেম্বর মেয়র পদ থেকেও তাকে বহিষ্কার করা হয়।


 

আদালত


তালাকের তথ্য গোপন করে সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে আড়াই বছর ধরে শারীরিক সম্পর্ক অব্যাহত রেখে ধর্ষণের অভিযোগে শাহ আলী নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশের শেরপুরের একটি আদালত।

মঙ্গলবার শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আসামির অনুপস্থিতিতে ওই দণ্ড ঘোষণা করেন। সেই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের রায় দেয়া হয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া জানিয়েছেন, কয়েক বছর আগে শেরপুর সদর উপজেলার মধ্য বয়ড়া গ্রামের এক নারীকে বিয়ে করেন অভিযুক্ত শাহ আলী।

পরবর্তীতে স্বামী শাহ আলীর বিরুদ্ধে যৌতুক চাওয়ার অভিযোগে মামলা করেন করেন তার স্ত্রী। কিন্তু সেই মামলায় ২০১৪ সালের চৌঠা ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে স্বামী শাহ আলী দাবি করেন, ২০১২ সালের ১৩ই মে তিনি স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন। সেই তালাকের কাগজপত্রও তিনি আদালতে জমা দেন।

এরপর ২০১৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি শাহ আলীর বিরুদ্ধে তালাকের তথ্য গোপন রেখে আড়াই বছর ধরে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন তার স্ত্রী।

সেই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজ শাহ আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

সেই মামলায় শাহ আলী ছাড়া তার মা-বাবাকেও আসামি করা হয়। তবে রায়ে অপর তিনজনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।



হাইকোর্ট জাপানের জন্ম নেওয়া শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনা তাদের বাবার হেফাজতে থাকবে বলে আদেশ দিয়েছেন। তবে বছরে তিনবার এবং প্রতিবারে ১০ দিন করে বাংলাদেশে এসে শিশুদের সঙ্গে থাকার সুযোগ পাবেন তাদের মা চিকিৎসক নাকানো এরিকো। জাপান থেকে তার বাংলাদেশে আসা-যাওয়া এবং শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানো বাবদ যে অর্থ খরচ হবে তা বহন করবে শিশুদের পিতা শরীফ ইমরান। তবে তিনবারের বেশি সময় যদি তিনি সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে চান তাহলে সেই ব্যয়ভার ওই নারীকে বহন করতে হবে। 

আজ রবিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদেশে বলা হয়েছে, আমরা শিশুদের সঙ্গে চারবার খাস কামরায় কথা বলেছি। শিশুদের সঙ্গে কথা বলা এবং আইনজীবীদের মতামত গ্রহণ করে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি। শিশুদের সর্বোচ্চ স্বার্থের কথা বিবেচনা করে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতি মাসে দুইবার সন্তানদেরকে তাদের মায়ের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলানোর বিষয়টি নিশ্চিত করবেন তাদের পিতা শরীফ ইমরান।

এছাড়া গত কয়েক মাসে জাপানি নারীর বাংলাদেশে আসা এবং থাকা খরচ বাবদ ১০ লাখ টাকা প্রদান করতে ইমরান শরীফকে আদেশ দিয়েছেন আদালত। এদিকে জাপানে থাকা তৃতীয় সন্তানকে বাংলাদেশে আনার আবেদন করেন ইমরান। হাইকোর্ট তার এ আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেন।
 
২০০৮ সালে জাপানের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বিয়ের পর টোকিওতে বসবাস শুরু করেন শরীফ ইমরান ও চিকিৎসক নাকানো এরিকো । তাদের ১২ বছরের সংসারে তিন কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। তারা তিনজনই টোকিওর চফো সিটিতে অবস্থিত আমেরিকান স্কুল ইন জাপানের শিক্ষার্থী ছিলেন। চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি শরীফ ও এরিকোর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ দেখা দেয়। পরে শরীফ দুই সন্তান নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। এরপর দুই সন্তানকে নিজ জিম্মায় ফেরত পেতে ১৯ আগস্ট হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন এরিকো। 

উপমহাদেশে করোনা মোকাবিলার সক্ষমতায় সবার ওপরে বাংলাদেশ

তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশ উপমহাদেশের অন্যতম একটি দেশ যার মধ্যে কোভিড -১৯ (করোনভাইরাস) মোকাবেলা করতে সক্ষম। মন্ত্রী শুক্রবার রংপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক অর্থনৈতিক প্রচার মাধ্যম ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে। প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে হাসান মাহমুদ আরও বলেছিলেন যে করোনার সাথে ডিল করার ক্ষেত্রে বিশ্বে বাংলাদেশ ২০তম রয়েছে।

শুক্রবার মন্ত্রী বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বাংলাদেশ বেতার কেন্দ্রের রংপুর উপকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। পরে তিনি সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় করোনার পরিস্থিতি মোকাবেলায় ভারত থেকে ভ্যাকসিন আমদানির বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে কোনও উদ্বেগ নেই। চুক্তি অনুসারে করোনার ভ্যাকসিন সময়মতো আসবে।


দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জন্য ডিজিটাল সুরক্ষা আইনে (আইসিটি অ্যাক্ট) গণমাধ্যমকর্মী সময়কালে তার সংঘটিত ছাত্ররা হঠাৎ মাহমুদকে বলেছিল, 'জাতিসত্তা যে সংঘটিত ভোটাভুটি, জড়িতদের কোনও দিন নয় না কোনও সময় অসচেতন ও সংবাদ সংস্থাগুলি সমীচীন নয় প্রস্তাব করা হয়েছে সময় হবে। আর কারও মুখোমুখি হয় না। যদি কোনও শ্রীরাণীর পান হন, তবে আমার দৃষ্টিগোচর থাকুক না 


তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে দেশের আরও ছয় বিভাগীয় শহরে একটি পূর্ণাঙ্গ বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) সম্প্রচার স্টেশন স্থাপন করা হচ্ছে। রংপুর কেন্দ্রের কাজ দুই থেকে আড়াই বছরে শেষ হবে।

সার্কিট হাউসে মতবিনিময়কালে রংপুর জেলা প্রশাসক অসিব আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মধুসূদন দত্ত, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আদালতে বিয়ে করলেন ধর্ষণ মামলার আসামি, সন্তানসহ ফিরলেন বাড়ি


ধর্ষণ মামলার আসামি বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরার একটি আদালতে বাদীর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপর আদালত অভিযুক্তকে জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন শেষে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ওই ব্যক্তি। দুপুরে মহিলা ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম (৩৫)। তার বাড়ি সদর উপজেলার ছায়ঘরিয়া গ্রামে।


মামলার বিবরণে জানা যায়, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে রবিউল একটি ২২ বছর বয়সী কিশোরীকে ধর্ষণ করে। ফলস্বরূপ, মেয়েটি গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর একটি ছেলের জন্ম দেয়। তিনি এবং তার সন্তানের স্বীকৃতি না পাওয়ায় এই মহিলা ১২অক্টোবর মহিলা ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। পুলিশ ২২ ডিসেম্বর রবিউলকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করে।

বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) জহুরুল হায়দার আদালতকে বলেছেন, আজ মহিলা ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। শুনানি চলাকালীন বাদী বলেছেন যে অভিযুক্তকে তার বিয়ে, সন্তানের স্বীকৃতি এবং এক লাখ টাকা দেওয়া হলে জামিন নিয়ে তাদের আপত্তি নেই। একপর্যায়ে রবিউল সমস্ত শর্ত মেনে চাঁদাবাজিকে আরও এক লক্ষ টাকা দিয়ে বিয়ের জন্য ডেকে আনে। কাজী এসে বিয়ে রেজিস্ট্রেশন করলেন। এরপরে বিচারক শেখ মফিজুর রহমান রবিউলকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দেন। আদেশের পরে রবিউল স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বাড়িতে চলে যান।


আসামিপক্ষের আইনজীবী শেখ রায়হান আলী প্রথম আলোকে জানান, তিনি বৃহস্পতিবার এই মামলার আসামি রবিউলের জামিনের আবেদন করেছিলেন। শুনানির এক পর্যায়ে রাজ্যের বিশেষ পিপি জহুরুল হায়দার পরামর্শ দিয়েছিলেন যে যদি বাদীকে বিবাহ, শিশুদের স্বীকৃতি এবং এক লাখ টাকা দেওয়া হয় তবে তাদের আসামির জামিন নিয়ে কোনও আপত্তি থাকবে না। আসামি সকল শর্ত সাপেক্ষে বাদীর সাথে আদালতের সম্মতিতে বিয়ে করেন। পরে আদালত আসামিকে জামিনে মুক্তি দেয়। আইনত সব কিছু করা হয়েছে।


যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget