Articles by "শিক্ষা"
অর্থনীতি অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া-ক্রিকেট-দল আওয়ামী-লীগ আদালত আন্তর্জাতিক আন্দোলন আরো আর্থিক-খাত ইরফান-খান ইসলামীক উদ্যোগী-নারী এশিয়া এসএসসি-পরীক্ষা করোনা বাংলাদেশ করোনা-বিশ্ব করোনাভাইরাস ক্রিকেট খুলনা-বিভাগ খেলা খেলাধুলা গোপালগঞ্জ চাকরি চাকরিবাকরি চাকরির-খবর চিকিৎসা চীন চুরি ছাত্রদল জগন্নাথপুর জয়পুরহাট জাতিসংঘ জাতীয় জাতীয়-পার্টি জো-বাইডেন ঝালকাঠি টি-টোয়েন্ট-বিশ্বকাপ টিকা টেবিল-টেনিস ডোনাল্ড ট্রাম্প ঢাকা-বিভাগ ঢাকা-বিশ্ববিদ্যালয় তথ্যপ্রযুক্তি তথ্যমন্ত্রী তারকা নারী নিউজিল্যান্ড নিয়োগ নেইমার পরিবেশ পাইলসের-সমস্যা-১০-উপায় পাকিস্তান পানি পিএসজি পিএসসি পেশা পোশাক প্রযুক্তি প্রযুক্তি-পণ্য ফুটবল ফ্যাশন বগুড়া বরিশাল বরিশাল-বিভাগ বাংলাদেশ বাংলাদেশ-ভারত-সম্পর্ক বাণিজ্য বাবুগঞ্জ বিএনপি বিনিয়োগ বিনোদন বিয়ে বিরাট-কোহলি বিশেষ-সংবাদ বিসিএস ব্যাংক ভর্তি-পরীক্ষা ভারত ভোটাররা-কেন্দ্রে-যেতে-পারলে মতামত যুক্তরাজ্য যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র-নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রে রংপুর রাজনীতি রাজশাহী-বিভাগ রোহিঙ্গা শাবনূর শিক্ষা শেয়ারবাজার সড়ক-দুর্ঘটনা সযুক্তরাষ্ট্র সরকারি-চাকরি সাকিব-আল-হাসান সিনেমা সিলেট-বিভাগ সোনালী-ব্যাংক স্বাস্থ্য হামলা হাসপাতাল


শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির মতামত নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বা খোলা রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে আগামীকাল রবিবার জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠক করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রী আজ শনিবার রাজধানীর ইমপেরিয়াল কলেজের রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, 'আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চাই না। টিকা নিয়ে যেন শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসে, সেটিরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে। হয়তো একটু অসুবিধা হতে পারে যারা ১২ বছরের কম বয়সী তাদের জন্য। সে বিষয়গুলো নিয়েও আমরা সিদ্ধান্ত নেব।'

নতুন করে আবার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্তের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'কভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেব। আমাদের ধারণা ছিল মার্চ-এপ্রিলে বাড়বে। কিন্তু জানুয়ারির গোড়ার দিকেই বাড়ছে, কাজেই আমাদের যে পরিকল্পনা তাতে অ্যাডজাস্টমেন্ট কিছুটা দরকার হবে। আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চাই না। টিকা নিয়ে যেন  শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসে, সেটিরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে।'

শিখন ঘাটতি পূরণে নিরাময়মূলক ক্লাস নেওয়ার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'দেড় বছরে লেখাপড়ায় যে ঘাটতি হয়েছে, সেটি পূরণের জন্য রেমিডিয়াল ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা করছি। কিন্তু আমাদের অনেক সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে। কারণ আবার করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। গত দেড় বছর শিক্ষার্থীরা মুখোমুখি ক্লাস করতে পারেনি। শ্রেণিকক্ষে তাদের পাঠদান করানো যায়নি। অনলাইনে বা টেলিভিশনে করেছে, এতে যে ঘাটতি হয়েছে তাতে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মাধ্যমে ঘাটতি পূরণ করতে হবে। কিন্তু যেভাবে স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই চলছেন অনেকে, তাতে করোনা সংক্রমণ বাড়লে শিক্ষার ক্ষতিটাই বেশি হবে, সেটাকে মাথায় রেখে সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে, আমরা প্রত্যেকে যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি। এটি সবাইকে মানতে হবে। আমি সবার কাছে আবেদন জানাব সামাজিক অনুষ্ঠান, রাজনৈতিক অনুষ্ঠান বা অন্য যেকোনো ধরনের অনুষ্ঠান হোক আমরা সবাই যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি।'


রজত জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, 'চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবেলায় প্রযুক্তি জ্ঞানের সঙ্গে সঠিক দক্ষতা থাকতে হবে। সেই সাথে মানসিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ থাকতে হবে। আমাদের শিক্ষার্থীদের তৈরি হতে হবে খুব ছোটবেলা থেকে পরিবারে মাধ্যমে। পরিবার যেমন শিক্ষার্থীকে গড়ে তোলে তেমনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরও শিক্ষার্থীকে গড়ে তোলার অনেক দায়িত্ব আছে। শিক্ষাব্যবস্থায় যদি মানসিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ না থাকে তাহলে শিক্ষার্থীকে সেভাবে গড়ে তোলা সম্ভব নয়। আর সে জন্যই আমরা নতুন কারিকুলাম করছি। সেই কারিকুলাম শুধু পরীক্ষানির্ভর ও সনদসর্বস্ব নয়, হতে হবে আনন্দময়, দক্ষতানির্ভর, প্রয়োগ যাতে করতে পারে। শিখলাম পরীক্ষা দিলাম, ভুলে গেলাম কোনো লাভ নেই। যা শিখছি তা যেন প্রয়োগ করতে পারি বাস্তব জীবনে, সেভাবেই শিখতে হবে। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের অসাম্প্রদায়িক মানুষ হিসেবে, সুনাগরিক হিসেবে ও  বিশ্বনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলব।'

শিক্ষায় এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্নে আমাদের চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'আমাদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এখন দুনিয়া জুড়ে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্সের সঙ্গে আমাদের অভ্যস্ত হতে হবে। এই প্রযুক্তির জন্য আমাদের তৈরি হতে হবে। এই শিল্প বিপ্লবের সফল অংশীদার আমরা হব, এই প্রত্যয় থাকতে হবে। কারণ আমারা আগের শিল্প বিল্পব ধরতে পারিনি। এবার ধরতেই হবে। আমাদের প্রযুক্তিবান্ধব ও বিজ্ঞানমনস্ক হতে হবে।'

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'শিক্ষা ছাড়া জাতি উন্নত হয় না। তাহলে সেই শিক্ষা কেমন হবে? সেটা ভাবা খুব দরকার, আমরা ভাবছি। ২০১৮ সাল পর্যন্ত চেষ্টা করেছি সবাইকে শিক্ষার আওতায় আনতে। সেটা মোটামুটি এসে গেছে। এখন আমাদের নজর শিক্ষার মানের দিকে। টেকসই উন্নয়নের ১৭টি লক্ষ্যে মধ্যে শিক্ষা চার নম্বর। শিক্ষার মধ্যে কতগুলো লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। একটি হচ্ছে সবাইকে নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা। সেই শিক্ষা থেকে কেউ যেন বাদ না পড়ে। আরেকটি হচ্ছে সমতা বা সাম্যের জায়গা তৈরি করা। এর সঙ্গে মানসম্মত শিক্ষা, আরেকটি হচ্ছে জীবনব্যাপী শিক্ষা। এই আন্তর্জাতিক অঙ্গিকারগুলো আমাদের পূরণ করতে হবে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী রূপকল্প দিয়েছেন ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হব। ডিজিটাল বাংলাদেশ হব। আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে। খুব শিগগিরিই মধ্যম আয়ের দেশ হব।' প্রধানমন্ত্রী আরো আরেকটি স্বপ্ন দেখিয়েছেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সমৃদ্ধ ও শান্তিময় দেশ হবে বলে জানান তিনি।

 

করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় এবারও বই উৎসব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) ২০২২ সালের পাঠ্য বই ছাপার অগ্রগতি দেখতে ঢাকার মাতুয়াইলে কয়েকটি প্রেস পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ কথা বলেন তিনি।

দীপু মনি বলেন, ‘এ বছরও বই উৎসব করার মতো অবস্থা নেই। স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। কাজেই ক্লাস ধরে ধরে শিক্ষার্থীদের এনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিতরণ করা হবে। কাজেই বিতরণে কোনো সমস্যা হবে না। আমাদের শিক্ষার্থীদের সবাই সময়মতো হাতে বই পেয়ে যাবে। ’

স্বাস্থ্যবিধি বিবেচনায় সবাইকে একসঙ্গে বই দেওয়া হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘১ তারিখে আমরা স্বাস্থ্যবিধির কারণে সবাইকে দিতে পারবো না।  কিন্তু ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে, ১ তারিখে আগে ৯৫ শতাংশের বেশি বই আমাদের স্কুলে স্কুলে পৌঁছে যাবে। বাকি যে ৪ থেকে ৫ পারসেন্ট এটাও ৭ তারিখের মধ্যে পৌঁছে যাবে। আমরা যে সিডিউলে বই দেবো সেখানে যার যখন পাওয়ার সে একদম ঠিক সময়েই বই পাবে। ’

দীপু মনি বলেন, ‘মাধ্যমিকের বই ২১ কোটি বাঁধাই হয়ে গেছে। সরবরাহ ১৭ কোটির বেশি। আগামী তিন চারদিনের মধ্যে সব প্রায় হয়ে যাবে। ২০২২ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চাদের হাতে আমরা দিয়ে দিতে পারবো। ’

বইয়ের মান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই যে মানটা ঠিক থাকে। সরকার এত অর্থ ব্যয় করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান প্রত্যেকের হাতে আমরা বিনামূল্যে বই তুলে দেবো। ’

এ বিষয়ে অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভিন্ন নামে অনেকে চেষ্টা করে। যদি আমরা জানতে পারি তাহলে তাদের আমরা দেবো না। ’

নতুন কারিকুলামে শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে দীপু মনি বলেন, ‘আমাদের ট্রাইআউটে যেটা যাওয়ার কথা, নতুন কারিকুলামে। আপনারা জানেন এর মধ্যেও আমরা সেই ইনডেক্সগুলো আবার দেখছি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে। আমরা ট্রাইআউটে যাবো পহেলা ফেব্রুয়ারিতে। আমাদের ছাত্র ভর্তির কাজ শেষ হতে জানুয়ারি শেষ হয়ে যায়। সব শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা ট্রাইআউট শুরু করতে পারছি না। ’

তিনি বলেন, ‘সেজন্য আমরা ট্রাইআউট শুরু করবো ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে। ট্রাইআউটে তো বইয়ের সংখ্যা খুবই কম। আগে ভেবেছিলাম একশটি স্কুল নেবো। কিন্তু এটিমে আমরা ৬০টি স্কুলে নিয়ে এসেছি। তারপরও এটি সংখ্যার দিক থেকে একদমই ঠিক আছে। গবেষণার জন্য যেটা দরকার। ’


বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার বিষয় উল্লেখ করে সড়কের কাজে দুর্নীতি ও লুটপাটে জড়িতদের ‘লাল কার্ড’ দেখানোর কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা। নিরাপদ সড়কের দাবিতে গেল কয়েকদিন ধরেই আন্দোলনরত একদল শিক্ষার্থী আজ শনিবার (৪ ডিসেম্বর) সাড়ে ১২টার পর থেকে ১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত রামপুরা ব্রিজ এলাকায় অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করে।

গত ২৯ নভেম্বর রাতে রাজধানীর রামপুরায় বাসের চাপায় এক শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই এই এলাকায় অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করে আসছে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা।

সড়ক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত পক্ষগুলো ‘দুর্নীতিপরায়ন‘ হয়ে উঠেছে দাবি করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, দেশে কোনও ব্রিজ নির্মাণ হলে সেখানে যত টাকা বরাদ্দ থাকে, এর অর্ধেক অর্থ লুটপাট হয়ে যায়। আমাদের দেশে হাজার হাজার কোটি টাকা দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হলে বছর যেতে না যেতে সেই রাস্তা ভঙ্গুর হয়ে যায়। সেখানে গাড়ি চলবে তো দূরের কথা, হাঁটার মতো অবস্থাও থাকে না।

এসব ‘লুটপাটে’ জড়িতদের বিরুদ্ধেই ‘লাল কার্ড’ প্রদর্শন কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা আবারও নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। নতুন কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা আগামীকাল রবিবার (৫ ডিসেম্বর) সড়কে অবস্থান করে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করবে। সেইসাথে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়।


আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া খিলগাঁও মডেল কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী সোহাগী সামিয়া বলেন, সড়কে অব্যবস্থাপনা এবং আমাদের দাবিগুলো নিয়ে কাল (রবিবার) দুপুর ১২টায় রামপুরা ব্রিজ এলাকায় মানববন্ধন হবে। অব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্টদের প্রতিবেদন চিত্র প্রদর্শন করবো আমরা।’ আগামীকালের কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে কর্মসূচি চলাকালে যে কোনও ধরনের অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিল।


আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে। তবে চলতি বছর করোনার কারণে স্বাভাবিক শিক্ষাদান কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে চলতি বছরের পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ ঘোষণা দেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা তিন বিষয়ে ছয়টি পরীক্ষা হবে। এ পরীক্ষায় অংশ নেবেন ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ পরীক্ষার্থী।

এর আগে, এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের লক্ষ্যে বিকেলে জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন তিনি।

বৈঠকে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাবকমিটির সভাপতি অধ্যাপক নেহাল আহমেদ অংশ নেন।

আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে, শেষ হবে ৩০ ডিসেম্বর। সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা এবং দুপুর ২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা, দুই শিফটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি চূড়ান্ত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

করোনার কারণে এপ্রিল মাসের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ডিসেম্বরে।

প্রশ্নফাঁস: চাকরি গেল পূবালী ব্যাংক কর্মকর্তার প্রশ্নফাঁস: চাকরি গেল পূবালী ব্যাংক কর্মকর্তার

সরকারি পাঁচ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পূবালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বুধবার (১০ নভেম্বর) ব্যাংকটির মানবসম্পদ উন্নয়ন (এইচআরডি) বিভাগের এক আদেশে তাকে বরখাস্ত করা হয়। বহিষ্কার করা ওই কর্মকর্তা ব্যাংকের রাজধানীর ইমামগঞ্জ শাখায় কর্মরত ছিলেন।

ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার আহমেদ এনায়েত মনজুর এবং ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শহিদ খান স্বাক্ষর করা বহিষ্কারাদেশ মো. মোস্তাফিজুর রহমান বরাবর পাঠানো হয়েছে। তিনি এখন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা পুলিশের কাছে গ্রেফতার আছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত শনিবার (৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির আওতায় পাঁচ ব্যাংকের অফিসার (ক্যাশ) নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উ‌ঠে‌। 

এদিকে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আহছানউল্লা ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির কাছে ব্যাখ্যা তলব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়টিকে কেন কালো তালিকাভুক্ত করা হবে না, তা জানতে বুধবার (১০ নভেম্বর) বিকালে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অধীনে থাকা ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি। একইসঙ্গে ওই পরীক্ষা বাতিলের বিষয়ও ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির কর্মকর্তারা।



গতবছরের মতো এবারও প্রাথমিক শিক্ষার বার্ষিক ও সমাপনী পরীক্ষা হচ্ছে না। ২০২১ শিক্ষাবর্ষের সকল শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মূল্যায়ন করে তাদেরকে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীতকরণের কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। 

সোমবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুব রহমান তুহিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত ২৬ অক্টোবরের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, এবারও কেন্দ্রীয়ভাবে প্রাথমিকের সমাপনী পরীক্ষা হবে না। সম্ভব হলে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে।

এরআগে গত ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তে জানানো হয়, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না বলে প্রধানমন্ত্রী সার-সংক্ষেপে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।

মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২০ শিক্ষাবর্ষে যেভাবে স্ব স্ব বিদ্যালয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়েছে, সেভাবে ২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়


বিশ্ববিদ্যালয় শুধু শিক্ষা বিতরণ করে না, শিক্ষার সৃষ্টি করে। আর উন্নত গবেষণার মাধ্যমেই সেটি সম্ভব। কিন্তু আমাদের দেশে শুধু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নয়, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়েই গবেষণাই নেই। তাহলে শিক্ষার মান বাড়বে কীভাবে? তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা আলাদা করে বলতে হয়। শিক্ষার সংকটের কারণে এখানকার প্রত্যেক শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন হতাশায় নিমজ্জিত। দেশের প্রতিটি স্তর সংকটে ভরপুর, এর মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট যেন তলানিতে পড়ে আছে, কিন্তু দেখার কেউ নেই। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বছরে কয় দিন ক্লাস পান? তাঁদের শিক্ষার আয়োজন কতটুকু থাকে? 
নিম্নমধ্যবিত্ত ও দরিদ্র পরিবার থেকে উচ্চশিক্ষায় আসা সর্বোচ্চসংখ্যক ছাত্রদের আশ্রয়স্থল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। অনেক শিক্ষার্থী আছেন, যাঁরা টাকার অভাবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিযুদ্ধে নামতে পারেন না। আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া তো অনেক দূরের কথা। তাই বাধ্য হয়ে অবহেলা আর উদাসীনতার শিকার হয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন।

উন্নয়ন পথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। শিক্ষায়ও আমরা এগিয়ে যাচ্ছি বলে অনেকে দাবি করে থাকেন। তাঁরা হয়তো জানেন না দেশের শিক্ষার্থীরা চাকরির জন্য হন্যে হয়ে ঘোরেন, হতাশা হয়ে আত্মহননের পথও বেছে নেন কেউ কেউ। ১৯৯২ সালে উচ্চশিক্ষায় সেশনজট নিরসনের কথা বলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছিল। দীর্ঘ ২৯ বছরে পা রেখেছে এ বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্যয় যত বেড়েছে, ভোগান্তিও বেড়েছে তত বেশি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল সমস্যা কী? ২০১৪ সালের পরে সেশনজট নিরসন হয়েছে। কিন্তু পুরোনো সংকট নতুন রূপে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ক্লাস করেন না। কেন ক্লাসে আসেন না? এই প্রশ্ন নিয়ে ছাত্র–শিক্ষকের ভিন্নমতও আছে।
প্রশ্নটা হলো প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে পাস করা একজন শিক্ষার্থী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে কেন ক্লাস করতে চান না, তার কারণ কী? শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত ক্লাসরুম নেই, পরীক্ষার হলরুম নেই, অধিকাংশ কলেজে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, লাইব্রেরিতে বই নেই, অনেক কলেজে যাতায়াতের ব্যবস্থা নেই, বেশির ভাগ কলেজে আবাসনব্যবস্থা নেই। আর যে কটি ক্যাম্পাসে আবাসনসুবিধা আছে, সেগুলোয় আবার ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের কর্তৃত্ব থাকে। ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়াতে কলেজগুলোতে গণতান্ত্রিক চর্চা অবরুদ্ধ হয়ে আছে। এই সমস্যাগুলো চেপে ধরে বাস্তবে ক্লাস করা কতটুকু সম্ভব। বামপন্থীসহ অন্য কোনো ছাত্রসংগঠন শিক্ষার সংকট নিরসনের জন্য ক্যাম্পাসে আন্দোলন করলে সরকারি ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা হামলা-হুমকি-ভয়ভীতি প্রদর্শন করে থাকেন। সেই জায়গায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা কতটুকু নিরাপদ?
বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি-বেসরকারি কলেজ আছে ২ হাজার ২৭৪টি। এর মধ্যে ২৭৯টি সরকারি কলেজ। স্নাতক (সম্মান) পড়ানো হয় ১৮১টি সরকারি কলেজে। সব মিলিয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৮ লাখ। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রেডিং পদ্ধতির রুলস-রেগুলেশন অনুযায়ী বছরে ৩৬৫ দিনের ২১০ দিন ক্লাস হওয়ার কথা থাকলেও অনেক জায়গায় এর চার ভাগের এক ভাগও হয় না। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার কয়েক মাসে আগে গাইড বইয়ের সাজেশন ফলো করে মুখস্থ করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এভাবে চারটা বর্ষ শেষ করে মাস্টার্সে ওঠেন। মুখস্থবিদ্যায় গড়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণাগার নেই কেন? করোনা মহামারির কারণে এখন পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাসের মুখ দেখেননি। ক্লাসের সিলেবাস শেষ না করেই গড়িমসি করে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে, যা বাস্তবে অলিখিতভাবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে আদতে একটি ‘পরীক্ষাকেন্দ্র’ হিসেবে তৈরি করেছে।
নির্দিষ্ট লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছে, কেন তা ব্যর্থ হলো? বছরের পর বছর ধরে কর্তৃপক্ষের অবহেলা আর অনাদরে সমস্যার স্তূপ জমতে জমতে পাহাড়সম আকার ধারণ করেছে। এর দায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এড়াতে পারে না। বিশ্বব্যাংকের পরামর্শক্রমে ইউজিসির ২০ বছর মেয়াদি কৌশলপত্রের চার পর্বে উচ্চশিক্ষার স্তর সাজানো হয়েছে, তা হলো প্রাথমিক–পরবর্তী ২০০৬-২০০৭, স্বল্পমেয়াদি ২০০৮-২০১৩, মধ্যমেয়াদি ২০১৪-২০১৯ ও দীর্ঘমেয়াদি ২০২০-২০২৬। দীর্ঘমেয়াদি কৌশলপত্রে শিক্ষাকে বাণিজ্যিকীকরণের প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে। কৌশলপত্রে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের সুপারিশ করা হয়েছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মান ও শিক্ষার সংকট দূর করতে হলে আগে কলেজগুলোর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার অধিকার, সামাজিক অধিকার, সুস্থ রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই গড়ে তুলতে হবে। বিশ্বমানের পাঠদানের সঙ্গে চলতে হলে পাণ্ডিত্য ও গবেষণার মাধ্যমে নিত্যনতুন জ্ঞানের সৃষ্টি করতে হবে, কার্যকর ও সময়োপযোগী শিক্ষণের মাধ্যমে নতুন নতুন জ্ঞানের প্রয়োগ করতে হবে। চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দিয়ে বৈষম্যহীন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে পর্যাপ্ত বাজেট দিতে হবে। সব শিক্ষার্থীর দ্রুত করোনার টিকাদান কর্মসূচি সম্পূর্ণ করতে হবে। পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে রুলস-রেগুলেশন অনুযায়ী ক্লাসের ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষার বিষয়ে রাষ্ট্রযন্ত্র যদি ভান করে ঘুমিয়ে থাকে, তাহলে তাদের জাগানো কঠিন। রাষ্ট্রের ঘুম ভাঙানো ছাত্রসমাজের যেমন দায়িত্ব, ঠিক তেমনি রাষ্ট্রের দায়িত্ব শিক্ষার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।


বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেছেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের  উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ ব্যবস্থা কী হবে, সে সম্পর্কে এখনই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। শিল্প ও বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদা অনুযায়ী, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে শিক্ষা কারিকুলামে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে।

‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লব’-এর ওপর আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রস্তুতি ও অগ্রগতি সম্পর্কিত এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে সোমবার (১ নভেম্বর) তিনি এ কথা বলেন।

শিল্প ও বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা জোরদার করারও আহ্বান জানান ইউজসি চেয়ারম্যান।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আগামী ১০ ও ১১ ডিসেম্বর ‘ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভুলেশন অ্যান্ড বিয়ন্ড’ শীর্ষক এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছে ইউজিসি।

সভায় সম্মলনের পরিকল্পনা, প্রস্তুতি ও অগ্রগতি সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়। 

অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ‘অনুষ্ঠেয় সম্মেলনের মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং শিল্প ও বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের মাঝে যোগাযোগের একটি নেটওয়ার্ক তৈরি হবে। একইসঙ্গে শিল্প-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও একটি সহযোগিতার সেতুবন্ধন তৈরি হবে। ফলে, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানে ইণ্টার্নশিপের সুযোগ পাবে এবং এসব প্রতিষ্ঠানের আধুনিক ল্যাব ব্যবহার করে গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমে অবদান রাখতে সক্ষম হবে।’

সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলন সফল করার আহ্বান জানান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ।

সভায় ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম, অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ ও অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বক্তব্য রাখেন। ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত হয়ে সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্যপ্রসাদ মজুমদার ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন এবং আহছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সরওয়ার মোরশেদ।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভিনসেন্ট চ্যাং, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. শামীম কায়সার ও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. শামীম আল মামুন তাদের নিজ নিজ উপ-কমিটির কাজের অগ্রগতি উপস্থাপন করেন সভায়।

কমিশনের সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামানসহ বিভাগীয় পরিচালক, সম্মেলন আয়োজন বিষয়ে গঠিত কমিটি ও উপ-কমিটিগুলোর সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপ-কমিটির সদস্য এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সম্মেলনে মূল বক্তাদের আমন্ত্রণ, নিবন্ধ আহ্বান, মুজিব ১০০ আইডিয়া কনটেস্ট, মুজিব ১০০ ইন্ডাস্ট্রি এক্সিবিশনসহ তাদের সার্বিক কাজের অগ্রগতি উপস্থাপন করেন। 

সভায় সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন সম্মেলন অর্গানাইজিং কমিটির সদস্য-সচিব এবং স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স বিভাগের উপ-পারচালক বিষ্ণু মল্লিক।

ট্রাম্পের সম্মানসূচক ডিগ্রি কেড়ে নিল বিশ্ববিদ্যালয়

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের বিদায়ী রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেওয়া সম্মানসূচক ডক্টরেট বাতিল করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় ৩২  বছর আগে ট্রাম্পকে দেওয়া ডিগ্রি প্রত্যাহার করে নিয়েছে। ট্রাম্পের সমর্থকরা মার্কিন রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন রাজধানী ওয়াশিংটনের ডিসি-তে হামলা চালানোর দুদিন পর বিশ্ববিদ্যালয় এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিয়েছে। জো বিডেন কিছুদিনের মধ্যেই নতুন মার্কিন রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নেবেন। ট্রাম্পের যুগ সেদিন থেকে শেষ হবে। ট্রাম্প এমন একটি খবর পেয়েছিলেন।

কম্পিউটার চুরির ঘটনায় সাবেক যুবলীগ গ্রেপ্তার

পেনসিলভেনিয়ার লেহি ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ড গত শুক্রবার এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিয়েছে। তবে মার্কিন মিডিয়া যখন সিএনএনকে লেহিঘ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি প্রত্যাহার সম্পর্কে বিশদ জানতে চাইলে একাডেমী কোনও মন্তব্য করেনি। ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৯৮৮ সালে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে সম্মানসূচক ডিগ্রি লাভ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতার অধ্যাপক জেরেমি লিট্যাও একটি টুইটের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তকে "বড় পদক্ষেপ" বলে বর্ণনা করেছিলেন। "আমাদের শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের চাপের পাঁচ বছর পর অবশেষে লিহাই বোর্ড অব ট্রাস্টি সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্মানসূচক ডিগ্রি ফিরিয়ে দিয়েছে," তিনি টুইট করেছেন।



ট্রাম্পের উগ্র সমর্থকরা বুধবার ওয়াশিংটন, ডিসির ইউএস কংগ্রেসনাল ক্যাপিটালকে ঘিরে ধরেছিলেন। এতে ৫ জন নিহত হয়েছেন। সহিংসতার দু'দিন পরে বিশ্ববিদ্যালয় সিদ্ধান্তটি ঘোষণা করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি জন ডি সাইমন একটি বিবৃতিতে সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, "এটি আমাদের গণতন্ত্রের ভিত্তিটির জন্য একটি সহিংস আঘাত।


সাঈদ খোকনের ‘মানহানিকর বক্তব্যে’ আইনি ব্যবস্থা নেবেন তাপস


দায়িত্বরত শেখ ফজলে নূর তাপস তার বক্তব্যকে মানহানিকর বলে ঢাকা দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার সকাল সোয়া ১১ টায় রাজধানীর মানিকনগর এলাকায় স্লুইসগেট ও পাম্প হাউস পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।


তাপস বলেছেন, ‘অবশ্যই তিনি (সাঈদ খোকন) মানহানিকর মন্তব্য করেছেন। তাঁর কথা শুনে আমি অবাক হয়ে গেলাম। তিনি নিজেকে চুনাপাথরের দুর্নীতিবাজ বলে স্বীকার করেছেন। এবং আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের নিরিখে এটি অবশ্যই মানহানিকর হয়েছে। আমি অবশ্যই এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে পারি।

সিরাজকে ‘বানর’ ডাকা দর্শকদের বের করে দেওয়া হলো | আমি ‘লাস্ট’ হতে খেলব না

তিনি আইনানুগ পদক্ষেপ নিচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তাপস বলেছিলেন, "আমরা যদি মানহানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিই, আমাদের আইনী পদক্ষেপ নিতে হবে। তাপসকে দেওয়া ব্যাখ্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি যোগ করেছিলেন, "গতকাল জাতির স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের জনক ছিলেন। এর আগে ৯ ই নভেম্বর আমরা লক্ষ্য করেছি যে তিনি (সাঈদ খোকন) একটি সভা ডেকেছিলেন এবং আমার দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। আমি মনে করি এটি প্রকাশ তার ব্যক্তিগত ক্ষোভের কথা।



শনিবার বিকেলে হাইকোর্ট এলাকায় আয়োজিত মানববন্ধনে প্রাক্তন মেয়র মোহাম্মদ সা সাঈদ খোকন শেখ তাপসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করেন। সাঈদ  খোকনের করা অভিযোগ প্রসঙ্গে রবিবার তাপস বলেছিলেন, "কেউ যদি ব্যক্তিগত বিরক্তি থেকে কিছু বলেন তবে আমি দায়বদ্ধ পদ থেকে এর জবাব দেওয়া ঠিক মনে করি না।" শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শেখ ফজলে নূর তাপস এ কথা বলেন।

নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সাইবার হামলা | ইসলামী ব্যাংকের ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলনের উদ্বোধন

তাপস বলেছিলেন, "আমরা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বা আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনও অভিযোগ করি নি। অবৈধভাবে দখল করা জায়গা দখলকারী ব্যবসায়ী ও দোকানদাররা অর্থের লেনদেন করেছেন। এখন তিনি আমার উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছেন। আমি ভেবে দেখুন এটি খুব অপ্রয়োজনীয়। 'তিনি কেবল এই ক্ষেপে এই বিষয়গুলি উত্থাপন করছেন।'


এসএসসি পরীক্ষা জুনে, এইচএসসি জুলাই-আগস্টে

পরের বছরের এসএসসি এবং এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষা করোনভাইরাস সংক্রমণের কারণে বিলম্বিত হচ্ছে। জুনের মধ্যে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সিলেবাসটি কেটে ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত এর ভিত্তিতে শ্রেণিকক্ষে ক্লাস পরিচালনা করা যায়। কাট-অফ সিলেবাসে এইচএসসি ও সমমানের প্রার্থীদের ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে ক্লাসে ক্লাস করতে এবং জুলাই-আগস্টে এই পরীক্ষা দিতে হতে পারে।

আরো পড়ুন : ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শিখব

মঙ্গলবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি একথা বলেন। এ সময় তিনি শিক্ষার বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষা সাধারণত ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে হয় এবং এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষা এপ্রিলের শুরুতে অনুষ্ঠিত হয়।


শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, করোনার কারণে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা এই বছর অনুষ্ঠিত হয়নি, তবে বোর্ড কর্তৃক একটি শংসাপত্র জারি করা হলেও তাতে কোনও সংখ্যার কথা বলা হবে না। কেবল পাঠ্য পাস হয়েছে। এ ছাড়া রোল নম্বরের পরিবর্তে আইডি সিস্টেম চালু করা হবে। অন্য কথায়, রোল নম্বর যা পরীক্ষার ভিত্তিতে ব্যবহৃত হত তা আর নেই। আইডির ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের কার্যক্রম চলবে।



এ ছাড়া করোনার ভাইরাসের কারণে আসন্ন 1 জানুয়ারির উত্সবে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। এই বইগুলি মোট ১২ দিনের মধ্যে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে। প্রতিটি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা তিন দিনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসে বই তুলবে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩১ ডিসেম্বর বই উৎসবের উদ্বোধন করবেন। বাংলা কম্পিউটার টিপস


জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অধ্যাদেশ, এরপর এসএসসির ফল


এবার এইচএসসি এবং সমমানের শিক্ষার্থীদের করোনভাইরাস সংক্রমণের কারণে সরাসরি পরীক্ষা ছাড়াই মূল্যায়ন করা হবে। শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি বলেছেন, এই মাসে মূল্যায়নের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। তবে তা সম্ভব নয়। আইনী বাধ্যবাধকতার কারণে অধ্যাদেশ জারির পরেই ফলাফল প্রকাশ করা হবে। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, ফলাফল প্রস্তুত। অধ্যাদেশ জারি হওয়ার সাথে সাথে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অধ্যাদেশ জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে জারি করা হবে এবং ফলাফল অবিলম্বে প্রকাশ করা হবে। মঙ্গলবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি একথা বলেন। এ সময় তিনি শিক্ষার বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।



৮ ই অক্টোবর, সরকার ঘোষণা করেছিল যে করোনার কারণে এ বছর কোনও উচ্চ মাধ্যমিক শংসাপত্র (এইচএসসি) এবং সমমানের পরীক্ষা হবে না। জেএসসি, এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার গড় ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসি ফলাফল ঘোষণা করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এই মূল্যায়ন কীভাবে করা হচ্ছে সে সম্পর্কে কিছু ধারণা দিয়েছেন।

আরো পড়ুন : দুই ছবি একসাথে জোড়া লাগানোর সেরা সফটওয়্যার

মূলত, জেএসসি, এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফল একত্রিত করে এই ফলাফল প্রকাশ করা হবে। জেএসসি, এসএসসি এবং এইচএসসির বিষয়গুলিকে ‘ম্যাপিং’ করে বিষয় ভিত্তিক ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এর বাইরে বিভাগ ও বোর্ডের পরিবর্তন, মান উন্নয়ন ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে উপদেষ্টা কমিটির সুপারিশে কাজ করা হবে। ফলাফল নিয়ে যদি কেউ বিরক্ত হন তবে তারা বোর্ডে আবেদন করতে পারবেন। তবে শিক্ষামন্ত্রী আশা করছেন যে ফলাফল নিয়ে কেউ বিরক্ত হবে না। তাঁর মন্তব্য, এবার সবাই পাস করবে।



এবারও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি বলে এবার ফরম পূরণে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয়নি তার জন্য শিক্ষার্থীদের পরিশোধ করা হবে। ফলাফল প্রকাশের পরে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে নির্দেশনা দেওয়া হবে।

এবার এইচএসসি ও সমমানের প্রার্থীদের সংখ্যা  ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন।


খবর প্রকাশ করছে : Prothom alo


যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget